Announcements ঐতিহাসিক সংযোগ সমূহ

১৮৫৭ সালের আগস্টে পূর্ব বাঙলায় রেলওয়ে লাইন স্থাপনের জন্য যুক্তরাজ্য সংসদীয় আইন-এর মাধ্যমে ইস্তার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কো¤পানীকে সংযুক্ত করা হয়। হুগলীনদীর পূর্ব পাড়কে ইর্স্টান বঙ্গেল রেলওয়ের প্রাথমিক স্থান নির্ধারন করা হয়। ১৮৬২ সালে কলকাতা থেকে জগতী (বাংলাদেশ) পর্যন্ত ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের প্রথম রেললাইন চালু করা হয়। ১৮৬৫ সালে এই লাইন বাংলাদেশের পদ্মা নদীর দক্ষিণ পাড়ে গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। লাইনটি আসামের ধুবড়ী এর যতদুর পর্যন্ত সম্ভবনিয়ে যাওয়া হয় ১৯০২ সালে। ১৮৮৪ সালে রেলওয়ে কো¤পানিটি ভারত সরকার নিয়ে নেয়।

পূর্বাঞ্চলে ১৮৯২ সালে আসামে ব্রিটিশদের যে চা বাগান রয়েছে, সেটি দেখাশোনার জন্য আসাম বেঙ্গল রেলওয়েকে দায়িত্ব দেয়া হয়। চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার মধ্যে ১৫০ কিমিপথ জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় ১৮৯৫ সালে। কুমিল্লা-আখাউড়া-কুলাওড়া-বদরপুর সেকশন চালু হয় ১৮৯৬ থেকে ১৮৯৮ সালের মধ্যে এবং শেষ পর্যন্ত  লুমডিংপর্যন্ত বর্ধিত করা হয় ১৯০৩ সালে। ১৯০০ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে গৌহাটি পর্যন্ত একটি শাখা লাইন নির্মাণ করে যেটি শহরটিকে পূর্ব-লাইনের সাথে যোগ করে।লাইনটি ১৯০২ সালে তিনসুকিয়া পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। ১৯৪২ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে ব্যবস্থাপনা ভারত সরকারের কাছে স্থানান্তর করা হয়। এটি ইস্টার্ন বেঙ্গলরেলওয়ের সাথে একীভ’ত করা হয় এবং আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে নামকরন করা হয়।

১৯৪৭ এর দেশ ভাগের পর, ভারতে অবস্থিত বেঙ্গল এবং আসাম রেলওয়ে ব্রডগেজ লাইনটি ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ের সাথে যোগ করা হয় যা পরে ইস্টার্ন রেলওয়েতেরূপান্তরিত হয় এবং মিটার-গেজ লাইন হয়ে যায় আসাম রেলওয়ে যেটি পরে উত্তর-পূর্ব  ফ্রন্টিয়ার রেলওয়েতে রূপান্তরিত হয়। যে অংশটি অতীতের পূর্ব পাকিস্তান সীমানারমধ্যে পরেছে তার নামকরণ করা হয় ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে। ফেব্র“য়ারি ১, ১৯৬১ তে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের পুনঃ নামকরণ করা হয় পাকিস্তান রেলওয়ে হিসেবে এবং১৯৬২ সালে এটি পাকিস্তান ইস্টার্ন রেলওয়ে হয়ে যায়। বাংলাদেশের উত্থানের পর এটি হয় বাংলাদেশ রেলওয়ে ।

১৯৬৫ সালের পূর্বে  ১৩ টি যাত্রীবাহী ট্রেন ভারত ও অতীতের পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)-এর মধ্যে যাতায়াত করত।

****