পরিচিতি আমাদের সম্পর্কে

পরিচিতি

শ্রী বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী
বাংলাদেশে নিযুক্ত মাননীয় ভারতীয় হাই কমিশনার

শ্রী বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী ১৯৯২ সালে ভারতীয় পররাষ্ট্র সেবায় যোগ দেন। তার আগে তিনি এক বছর সাংবাদিকতা করেছিলেন। তিনি দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৯২-১৯৯৩ পর্যন্ত নয়াদিল্লীতে চাকরির প্রশিক্ষণ শেষে শ্রী দোরাইস্বামী ১৯৯৪ সালের মে মাসে হংকংয়ের ভারতীয় দূতাবাসে তৃতীয় সচিব নিযুক্ত হন। তিনি হংকংয়ের চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ এশিয়া ইয়েল-ইন-এশিয়া ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলে চীনা ভাষা বিষয়ে একটি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। ১৯৯৬ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি বেইজিংয়ের ভারতীয় দূতাবাসে নিযুক্ত হন, সেখানে তিনি প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালন করেন।

২০০০ সালে নয়াদিল্লীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফিরে আসার পরে শ্রী দোরাইস্বামী প্রটোকল উপ-প্রধান (আনুষ্ঠানিক) নিযুক্ত হন। দুই বছর পর তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন। পরে তিনি ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৬ সালে শ্রী দোরাইস্বামী নিউইয়র্কে জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনে পলিটিকাল কাউন্সেলর পদে এবং ২০০৯ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ভারতের কনসাল জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০১১ সালের জুলাই মাসে শ্রী দোরাইস্বামী নয়াদিল্লীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফিরে আসেন, সেখানে তিনি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) বিভাগের প্রধান ছিলেন। এই সময়কালে তিনি ২০১২ সালের মার্চ মাসে নয়াদিল্লীতে ব্রিকসের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনেরও সমন্বয়ক ছিলেন।

২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত শ্রী দোরাইস্বামী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমেরিকা বিভাগের যুগ্ম-সচিব ছিলেন। তিনি ২০১৫ সালের এপ্রিলে কোরিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হওয়ার আগে, ২০১৪ সালের অক্টোবরে উজবেকিস্তানে ভারতের রাষ্ট্রদূত হন। এই দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরে ২০১৮ সালের জুলাই মাসে সদরদপ্তরে ফিরে তিনি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের এপ্রিলে তাকে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি নতুন বিভাগ স্থাপনের দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে পদোন্নতির পরে, তাকে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং শীর্ষ সম্মেলনের জন্য অতিরিক্ত সচিব মনোনীত করা হয়।

বিক্রম দোরাইস্বামীর বই পড়া, খেলাধুলা, ফিটনেস, ভ্রমণ এবং জ্যাজ সঙ্গীতে আগ্রহ রয়েছে। তিনি চীনা, ফরাসী এবং কোরিয়ান (সামান্য) ভাষায় পারদর্শী।

*****