রেলপথ যোগাযোগ ও ভ্রমণ

রেলপথ

ব্রিটিশ আমলে ভারত ও বাংলাদেশে রেলওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়| অভিন্ন ইতিহাসের আলোকে, উভয় দেশের রেল যোগাযোগ ভালভাবে প্রতিষ্ঠিত| এই ঐতিহাসিক সংযোগগুলির মধ্যে এখনও কিছু ব্যবহৃত হচ্ছে, অন্যদিকে কিছু সংযোগ চলাচলের অভাবে অকেজো বা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে| 

বর্তমানে ৪টি আন্তঃদেশীয় রেল সংযোগ চালু আছে এবং আরো ২ টি পুনরায় চালু হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে| আখাউড়া (বাংলাদেশ) ও আগরতলা (ভারত)-এর মধ্যে একটি নতুন রেল সংযোগ স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে| 

মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং বন্ধন এক্সপ্রেস নামে দুটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালু আছে যা দুই দেশের মধ্যে চলাচল করছে| মৈত্রী এক্সপ্রেসটি কলকাতা ও ঢাকার মধ্যে সপ্তাহে চার দিন চলাচল করে| বন্ধন এক্সপ্রেস খুলনা ও কলকাতার মধ্যে সপ্তাহে একদিন করে| প্রতিবছরের ফেব্রুয়ারিতে, মেদিনীপুরের উরস শরীফে যোগ দিতে তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি তীর্থযাত্রী বিশেষ ট্রেন রাজবাড়ী (বাংলাদেশ) থেকে মেদিনীপুর (ভারত) পর্যন্ত চলাচল করে| আঞ্জুমান-ই-কাদেরিয়া, বাংলাদেশ এই বিশেষ ট্রেনটি চলাচলের আয়োজন করে | 

দুই দেশের মধ্যে মালবাহী ট্রেন চলাচল মৌলিক এবং সম্পূরক নিয়মে পরিচালিত হয়| মালামাল পরিবহনের জন্য ভারতীয় রেলওয়ের ওয়াগন ব্যবহার করা হয়| প্রায় ২০ লক্ষ মেট্রিক টন কার্গো প্রতি বছর রেলপথে পরিবহন করা হয়| ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানিকৃত ৯৯ ভাগ কার্গো রেলে পরিবহন করা হয়| প্রধান পণ্যগুলি হল জিপসাম, পাথর, খৈল, পেঁয়াজ, চিনি, ভুট্টা এবং খাদ্য শস্য|

 
যোগাযোগ ও ভ্রমণ